নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড়।
ষ্টাফ রিপোর্টার: রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী ফুটপাথে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় বাসের চাপে নিহত হওয়ার পর এ ঘটনায় সারাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি হয়েছে। “নিরাপদ সড়ক আন্দোলন” নামে পরিচিত এই আন্দোলনে হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে সড়কে নিরাপত্তা, পরিবহন খাতে দুর্নীতি এবং জবাবদিহিতার দাবি জানিয়েছেন।
এই আন্দোলন আরও জোরালো হয়ে ওঠে যখন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের একটি বিতর্কিত প্রতিক্রিয়া সামনে আসে, যেখানে তিনি এই মর্মান্তিক ঘটনাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। এতে শোকাহত শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এর প্রতিক্রিয়ায় সারা দেশের শিক্ষার্থীরা সড়ক নিরাপত্তা ও গণপরিবহনে কঠোর নিয়মাবলির দাবিতে রাস্তায় নামেন।
এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম তীব্র ছাত্র আন্দোলনে রূপ নেয়। বিক্ষোভ দমনে সহিংস দমন-পীড়নের খবর আসে, যেখানে আহত, আটক এবং ছাত্রলীগের (সরকারি দল আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন) দ্বারা অপহরণ, হামলা এবং ভীতিপ্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
আন্দোলনের অগ্রগতির সাথে সাথে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী নেতা মো: শাকিল হোসেন সহ কিছু ছাত্রনেতা সংগঠিত বিক্ষোভের নেতৃত্বে উঠে আসেন। ঝুঁকি থাকা সত্তে¡ও, তরুণ নেতারা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার দাবিতে দৃঢ় অবস্থান নেন, যা সড়ক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও সমর্থন জোগায়।
