কানাডায় দ্বীপ্তর মৃত্যু: দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যা, ফেঁসে যাচ্ছেন বন্ধুরা
নিউজ ডেস্ক: কানাডার টরন্টোয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আরিয়ান আলম দ্বীপ্ত নিহতের ঘটনা কি নিছক সড়ক দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যা! বিষয়টি সুরাহা করতে তদন্তের দাবি জানিয়েছে তার পরিবার।
জানা গেছে, গায়ক কুমার বিশ্বজিতের ছেলে নিবিড় কুমারের সঙ্গে একই ফ্ল্যাটে থাকত দ্বীপ্ত। কিন্তু সম্প্রতি ফ্ল্যাট থেকে নিবিড়ের বন্ধু লাবিবের ১৮০০ ডলারের জ্যাকেট গায়েবের দোষ দেওয়া হয় দ্বীপ্তকে। শুধু তাই নয়, জ্যাকেটের জরিমানা দেওয়ার পাশাপাশি তাকে মারধরও করা হয়। বের করে দেওয়া হয় ফ্ল্যাট থেকেও। আবার তাদের সঙ্গে গিয়েই প্রাণ হারায় দ্বীপ্ত। নেপথ্যে লাবিবের নামও উঠে আসে। এসব কারণেই এটি দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড- সেই তদন্ত চায় দ্বীপ্তর পরিবার।
দ্বীপ্তর বাবা-মা জানান, দ্বীপ্তকে জোর করে ঘুরতে নেয়ার পাশাপাশি মাসখানেক আগে মারধরও করে তার বন্ধুরা।
দ্বীপ্তর এক বন্ধুর চ্যাটে দেখা গেছে, নিবিড় কুমারের সঙ্গে বের না হওয়ার অজুহাত হিসেবে দীপ্ত জানায়, তার কাছে টাকা নেই। কিন্তু অপর বন্ধু জানায়, এটা ওরা মানবে না। আরিয়ানের পরিবারের অভিযোগ জোর করেই দ্বীপ্তকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছে ওরা।
দ্বীপ্তর বাবা এম আলমগীর বলেন, আমার ছেলেকে জোর করে নিয়ে গেছে তারা। লাবিব এ ঘটনার সব জানে। লাবিব ঐ গাড়িতে যায়নি। আমরা চাই লাবিবকে আইনের আওতায় আনা হোক। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি কানাডার টরন্টোয় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান আরিয়ান আলম দ্বীপ্ত, শাহরিয়ার খান মাহির ও আঞ্জেলা বারৈ শ্রেয়া নামে তিন শিক্ষার্থী।
